অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শুক্রবার, ১৮ই জুন ২০২১ | ৪ঠা আষাঢ় ১৪২৮


করোনার চেয়েও বড় অর্থনৈতিক ধাক্কা দেবে জলবায়ু পরিবর্তন


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৭ই জুন ২০২১ রাত ০৮:০২

remove_red_eye

৩৩

বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক : বৈশ্বিক তাপমাত্রা ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা না গেলে ব্যাপক অর্থনৈতিক ধাক্কার সম্মুখীন হতে হবে বিশ্বের ধনী দেশগুলোকে। ক্ষতির সে পরিমাণ হতে পারে করোনা মহামারিকালীন অর্থনৈতিক সংকটের চেয়েও দ্বিগুণ।

ক্রমবর্ধমান গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন মোকাবিলায় ব্যর্থ হলে আগামী ৩০ বছরের মধ্যে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ জিডিপি হারাতে পারে জি-৭ ভুক্ত দেশগুলো। যার পরিমাণ হবে ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। এতে বেশি হুমকির মুখে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি ও ইতালি। সম্প্রতি এসব তথ্য প্রকাশ করেছে, অক্সফাম ও এসআরই নামের একটি গবেষণা সংস্থা।

 

জি-৭ দেশগুলো করোনা মহামারির মধ্যে গড়ে ৪ দশমিক ২ শতাংশ হারে অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে। প্রতিবেদন বলছে, ২০৫০ সালের মধ্যে যদি বৈশ্বিক তাপমাত্রা ২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করে তাহলে এ ক্ষতি গিয়ে দাঁড়াবে তারও দ্বিগুণ। যেখানে প্রতি বছর শুধু যুক্তরাজ্যেরই অর্থনৈতিক ক্ষতি হবে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ।

এছাড়া, ভারতসহ অন্য দেশগুলোর অবস্থা হবে আরও ভয়াবহ। চারের একভাগ বিপর্যয় দেখা দিতে পারে ভারতের অর্থনীতিতে। অস্ট্রেলিয়ার ক্ষতি হবে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ। অর্থনৈতিক খারাপ অবস্থা হতে পারে দক্ষিণ কোরিয়ারও।

এদিকে শুক্রবার লন্ডনে একত্র হয়েছিলেন বিশ্বের শীর্ষ ধনী দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীরা। এসময় তারা বৈশ্বিক অর্থনীতি, কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন, করপোরেট কর ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা নিয়ে আলোচনা করেছেন। গবেষণা সংস্থা এসআরই-এর প্রধান অর্থনীতিবিদ জেরোমি হেগেল বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন বৈশ্বিক অর্থনীতিকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। জি-৭ দেশগুলোর বিষয়টি নিয়ে আরও সচেতন হওয়া উচিত। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার অনুন্নত দেশগুলোর দিকেও নজর দেয়ার তাগিদ দেন জেরোমি হেগেল।

বর্তমানে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ১দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে চলতি বছরের নভেম্বরে স্কটল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কপ২৬। বৈশ্বিক পাতমাত্রা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে পরিবেশ বান্ধব উৎপাদন ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার একটি সর্বোত্তম সুযোগ এই কপ২৬।