অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বৃহঃস্পতিবার, ৩০শে এপ্রিল ২০২৬ | ১৭ই বৈশাখ ১৪৩৩


ভোলার নদীতে ইলিশের সংকট


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৯ই নভেম্বর ২০২৪ রাত ১০:১৯

remove_red_eye

২৫১





বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার ৬ দিন পরও ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে সংকট চলছে। এখনো কাঙ্খিত ইলিশের দেখা মিলছে না। এতে করে জেলেরা চরম হতাশায় দিন পার করছেন। কিভাবে তাদের ধার দেনা পরিশোধ করবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। তবে আগামী পূনিমার জোতে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়বে এই আশায় জেলে আড়ৎ গন অপেক্ষার প্রহর গুনছে।

সরেজমিনে দেখা যায়,ভোলার মেঘনায় ও তেঁতুলিয়া নদীর বুকে এখন জেলেদের অসংখ্য নৌকা আর ট্রলার । কেউ ছুটে যাচ্ছে নদীতে। আবার কেউ নদীতে জাল ফেলে অপেক্ষা করছে। আবার কেউ নদী থেকে জাল টেনে মাছ তুলছে। কিন্তু অধিকাংশ জেলের জালে আশানুরূপ ইলিশের দেখা পাচ্ছে না বলে জানান জেলেরা। যে পরিমাণ ইলিশ মাছ ধরা পড়ছে তা দিয়ে সংসার চালানো তো দূরের কথা নদীতে মাছ ধরার খরচের টাকাও ওঠছে না। এতে করে চরম বিপাকে পড়েছেন তারা।তবে আগামী পূনিমার জোতে তারা আশানুরূপ ইলিশ মাছ পাবেন।সেই প্রতিক্ষায় রয়েছেন তারা।


ইলিশার মৎস্য ব্যবসায়ী মো: শাহাবুদ্দিন জানান,  নদীতে ইলিশের সংকট থাকায় ভোলার মাছ ঘাটে এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৮ শ থেকে ২ হাজার টাকা,৫/৬ গ্রামের ইলিশের কেজি ১১/১২ থেকে শত টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। তুলাতুলি মৎস্য আড়ৎদার  মঞ্জুর আলম জানান,
দিন দিন ইলিশ কমে যাচ্ছে।তাই দাম বেশি।

মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী এ অর্থ বছরে ভোলায় ১ লক্ষ ৮৫ হাজার মেট্রিকটন ইলিশ উৎপাদন লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে । ইতোমধ্যে  সেপ্টেম্বর ২০২৪ মাস পর্যন্ত ৬৮ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ এ জেলায় উৎপাদন হয়েছে।
ভোলা জেলা বিশ্বজিৎ কুমার দেব মৎস্য কর্মকর্তা জানান, এখন ঢালা চলছে। সেই জন্য কাংখিত মাছ পাচ্ছে না। আগামী পূনিমার জোতে প্রচুর জেলেরা মাছ পাবে এবং আমাদের লক্ষ্য মাত্রা অর্জিত হবে।