অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ৭ই অক্টোবর ২০২৬ | ২২শে আশ্বিন ১৪৩৩


সিইসি-ইসি নিয়োগে দায়মুক্তির প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৭শে আগস্ট ২০২৪ বিকাল ০৪:৩৩

remove_red_eye

২৭২

প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রে আইনের ৯ ধারায় দায়মুক্তির বিধান কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুলি জারি করেছেন হাইকোর্ট।

১০ আইনজীবীর করা রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি মুহম্মদ মাহবুব-উল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চে রুল জারি করেন।

আইনজীবীর দাবি, মূলত ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময় থাকা প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য ইসির নিয়োগের দায়মুক্তি নিয়ে এখন প্রশ্ন উত্থাপন হলো। এ রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে যদি তাদের নিয়োগ প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তাহলে তাদের কৃতকর্ম (২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচন) নিয়েও প্রশ্ন উঠবে।    

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন, ২০২২ এর ৯ ধারায় বলা হয়েছে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগদানের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ইতোপূর্বে গঠিত অনুসন্ধান কমিটি ও তৎকর্তৃক সম্পাদিত কার্যাবলী এবং উক্ত অনুসন্ধান কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগ বৈধ ছিল বলে গণ্য হবে এবং ওই বিষয়ে কোনো আদালতে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।

এ আইনের ধারা ৯ এর মাধ্যমে আগে নিয়োগকৃত নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং এ ব্যাপারে বিচার বিভাগের ক্ষমতা খর্ব করা হয়েছে, যা সংবিধানের ২৬, ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদ, ক্ষমতার পৃথকীকরণ নীতি, বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পরিপন্থি। এমন দাবি করে ১৮ আগস্ট ৯ ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের ১০ জন আইনজীবী।

রিটকারী আইনজীবীরা হলেন- আব্দুল্লাহ সাদিক, জি এম মোজাহিদুর রহমান, মিসবাহ উদ্দিন, জোবায়দুর রহমান, নোয়াব আলী, আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী, সাজ্জাদ সরওয়ার, মোজাহিদুল ইসলাম, মিজানুল হক ও এ কে এম নুরুন নবী।

রুল জরির পর আইনজীবী শিশির মনির জানান, ২০১২ সালে এবং ২০১৭ সালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনাররা নিয়োগ পেয়েছিলেন, তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল সার্চ কমিটির মাধ্যমে। ২০২২ সালে এসে একটি আইন করে বলা হয়েছে, এ ২০১২ সালে ও ২০১৭ সালে যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তাদের এ নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে কোনো আদালতে প্রশ্ন তোলা যাবে না। এ সংক্রান্ত আইনের ধারা ৯ চ্যালেঞ্জ করেছি। আদালত চার সপ্তাহের মধ্যে আইন সচিব ও নির্বাচন কমিশনকে রুলের জবাব দিতে বলেছেন।

এক প্রশ্নের জবাবে আইনজীবী শিশির মনির জানান, তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া যদি অবৈধ হয়ে যায়, তাহলে তাদের কৃতকর্ম নিয়ে অনিবার্যভাবে প্রশ্ন উঠবে। আপনারা জানেন দুনিয়া জুড়ে ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। 





লালমোহনে কাভার্ড ভ্যানসহ ৯ হাজার লিটার অপরিশোধিত সয়াবিন তেল জব্দ

লালমোহনে কাভার্ড ভ্যানসহ ৯ হাজার লিটার অপরিশোধিত সয়াবিন তেল জব্দ

লালমোহনের রমাগঞ্জে সীরাত পাঠ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও আলোচনা সভা

লালমোহনের রমাগঞ্জে সীরাত পাঠ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও আলোচনা সভা

একনেকে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রসহ ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

একনেকে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রসহ ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

বিনিয়োগ আকর্ষণে সরকারের ২০ উদ্যোগের ৭টি বাস্তবায়ন, পাইপলাইনে ১৩০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ

বিনিয়োগ আকর্ষণে সরকারের ২০ উদ্যোগের ৭টি বাস্তবায়ন, পাইপলাইনে ১৩০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ

মতপার্থক্য, গঠনমূলক সমালোচনা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য : রাষ্ট্রপতি

মতপার্থক্য, গঠনমূলক সমালোচনা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য : রাষ্ট্রপতি

শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে : ড. মঈন খান

শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে : ড. মঈন খান

নিষিদ্ধ দলের কর্মকাণ্ড চলতে দেওয়া হবে না: ডিবিপ্রধান

নিষিদ্ধ দলের কর্মকাণ্ড চলতে দেওয়া হবে না: ডিবিপ্রধান

পথশিশু ও ভিক্ষুকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছে সরকার: ডা. জাহিদ

পথশিশু ও ভিক্ষুকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছে সরকার: ডা. জাহিদ

রসায়নে নোবেল পেলেন অঁরি কাগান ও কেনসো সোয়াই

রসায়নে নোবেল পেলেন অঁরি কাগান ও কেনসো সোয়াই

৭ নভেম্বর সরকারি ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারি

৭ নভেম্বর সরকারি ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারি

আরও...