হাসিব রহমান \ ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য, আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলির সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। দেশের উন্নয়ন করতে পারেননি। আজকে আমরা গ্রামে গ্রামে বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা, মুক্তিযোদ্ধাভাতা, প্রতিবন্ধীভাতাসহ বিভিন্ন ভাতা দেই। জেলেদের জন্য চাল দেই। এখন গ্রামে কোন অভাব নেই।

সোমবার বেলা ১১টায় ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে অসহায় দু:স্থ্যদের মাঝে শাড়ি-লুঙ্গি বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তোফায়েল আহমেদ এসব কথা বলেন।

সাবেক বানিজ্যমন্ত্রী আরো বলেন, মোশারেফ হোসেন শাজাহান পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ছিলেন নদী ভাঙ্গন বন্ধ করেতে পারেননি। বিএনপি নেতা মেজর হাফিজ পানিসম্পদ মন্ত্রী ছিলেন, লালমোহনে নিজের বাড়ি কিন্তু ৮৬ কোটি টাকা এলেও এক টাকার কাজ হয়নি। লুটপাট হয়েছে। আমরা ভোলার নদী ভাঙন রোধে বøকবাধ নির্মাণ করেছি।  ভোলার নদী ভাঙনরোধে আরও সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। তোফায়েল আহমেদ বলেন, ভোলা-বরিশাল ব্রিজ নির্মান করা হবে। ভোলায় প্রচুর গ্রকৃতিক গ্যাস সম্পদ রয়েছে। এখানে শিল্প কলকারখানা গড়ে তোলা হবে। ভোলার ধনিয়ায় মেঘনার পাড়ে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। বিদেশীরা আসবে।  ভোলার ব্যাপক উন্নয়ন করা হবে। ভোলা হবে দেশের শ্রেষ্ঠ জেলা।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, বিএনপি নির্বাচনে পরাজিত হয়েছিল। বিএনপির মধ্যে এখন অন্তর্ন্দ›দ্ব। কোন ঐক্য নাই। একেক নেতা একেক কথা বলেন। ৫জন এমপি শপথ নিয়েছেন আবার মহাসচিব শপথ না নেয়ায় সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়েছে। ওই আসনে আবার উপনির্বাচন হবে। এখন আবার বিএনপি উপনির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবে। সুতরাং এই দলটা এখন বিলুপ্তির পথে। কতদিন এই দল টিকবে আমরা জানিনা। যেই দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ার‌্যান হয় একজন খুনি। যার খুনের জন্য যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত। সেই দলকে কি মানুষ সমর্থন করতে পারে?

ভোলার ধনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হারুন অর রশিদ হাওলাদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ভোলা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মমিন টুলু, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ  সম্পাদক নজরুল ইসলাম গোলদার,ভাইস চেয়ারম্যান মো: ইউনূছ প্রমূখ। এছাড়াও তোফায়েল আহমেদ কাচিয়া, বাপ্তা, পূর্ব ইলিশা , পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নে কাপড় ও লুঙ্গি বিতরন করেন।