বাংলার কন্ঠ প্রতিবেদক  \  আজ রবিবার চতুর্থ ধাপে ভোলার দৌলতখান, তজুমদ্দিন ও লালমোহন উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে ।  অবাধ সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ন নির্বাচনের লক্ষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৫ স্তরের নিরাত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। অন্যদিকে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে নির্বাচন কমিশন তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) কে পাঁচ দিনের জন্য পুলিশ লাইনে  সরিয়ে নিয়েছে। এদিকে নির্বানী এলাকায় আইন প্রয়োগকারী সংষ্থার গাড়ি থেকে টহল দিচ্ছে।

অপর দিকে গতকাল শনিবার সকাল থেকে স্ব স্ব উপজেলার নির্বাচন অফিস থেকে প্রতিিিট কেন্দ্রে ভোটের সামগ্রী বিতরন করা হয়েছে। প্রিজাইডিং অফিসারগন কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে স্ব স্ব কেন্দ্রে ব্যালট পেপারসহ ভোট গ্রহনের অন্যান্য সামগ্রী নিয়ে গেছে।

 

এদিকে তজুমদ্দিনের চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ফজলুল হক দেওয়ান ও স্বতন্ত্র প্রর্থী মোশারেফ হোসেন দুলাল  প্রতিদ্বন্দিতা করছেন।  এছাড়াও  ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন লড়ছেন। লালমোহন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন আহমেদ (নৌকা) প্রতীক, জাতীয় পার্টির মাহাবুব এলাহী (নাঙ্গল) প্রতীক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম (আনারস) প্রতীক প্রতিদন্দিতা করছেন। এছাড়াও পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন লড়ছেন। এছাড়াও দৌলতখান উপজেলার চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ইেিতাপূর্বে বিনা প্রতিদন্দিতায় নির্বাচিত হওয়ায় শুধু মাত্র পুরুষ ভাইস পদে ৩ জন লড়ছেন।

রিটানিং কর্মকর্তা আলাউদ্দিন আল মামুন বলেন, দৌলতখানে শুধু পুরুষ ভাইস-চেয়ারম্যান, লালমোহন-তজুমদ্দিন সবগুলো পদে ভোটগ্রহণ হবে। সরকারের সকল বিভাগ ও নির্বাচন কমিশন থেকে নির্বাচন ফ্রি এন্ড ফেয়ার করার নির্দেশণা রয়েছে। তাঁরাও সকল আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও কর্তব্যরত ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের বৈঠক করে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশে ভোট গ্রহণের নির্দেশণা দেওয়া হয়েছে। সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ সৃষ্টির জন্য তজুমদ্দিন উপজেলায় ছয়জন, লালমোহন উপজেলায় পাঁচজন ও দৌলতখান উপজেলায় তিনজন নির্বাহী হাকিম (ম্যাজিস্ট্রেট) নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন। কিছু নির্বাহী হাকিম জেলার বাইরে থেকে আসছে। সকলে যেনো যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করেন, যেনো এলার্ট থাকেন, সেভাবে বলা হয়েছে।

কর্মকর্তা আরও বলেন, সকলের একই কথা, সবাই যেনো শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন পরিচালনা করে। এ জন্য র‌্যাব, বিজিবি, পুলিশ, আনসার-ভিডিপি দায়িত্বে আছে। দুর্গম কেন্দ্রগুলোতে কোস্টগার্ড স্থির দাঁড়িয়ে থাকবে। তজুমদ্দিন ও লালমোহন উপজেলার সকল কেন্দ্রকে নির্বাচ কমিশন ঝুঁকি হিসাবে নিচ্ছে, সেই মতো কাজ হচ্ছে। পুলিশসহ সকল আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কঠোর অবস্থানে আছে। তজুমদ্দিন থানার ওসিকে (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) প্রত্যাহার করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের

উল্লেখ্য ৩১ মার্চ ভোলার ৬ টি উপজেলা নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও ভোলা সদর, মনপুরা ও চরফ্যাশন উপজেলায় বিনাপ্রতিদন্ধিতায় প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়।