বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক: ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ফেরার সময় ভোলা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এক সড়ক দুর্ঘটনায় সাংবাদিক দৈনিক বাংলার কণ্ঠের স্টাফ রির্পোটর ও একাত্তর টিভির ভোলা প্রতিনিধি কামরুল ইসলাম এবং ফটো সাংবাদিক লক্ষণ চন্দ্র দাস গুরুতর আহত হয়েছেন। রবিবার দুপুরে বোরহান উদ্দিন উপজেলা পরিষদের নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহ কওে ফেরার পথে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি ট্রাকের সাথে ধাক্কা লেগে সংর্ঘষে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। গুরুতর অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু কামরুল ইসলামের অবস্থা অধিক গুরুতর হওয়ায় রাতেই স্পীডবোটযোগে বরিশাল প্রেরণ করা হয়।
আহত সাংবাদিক ল²ণ ও স্থানীয়রা জানান, দুপুর ৩ টার দিকে বোরহানউদ্দিন থেকে মটর সাইকেল যোগে সাংবাদিক কামরুল ও ল²ণ ফিরছিলেন। এসময় বাসস্ট্যান্ডের একটি ট্রাকের সাথে ধাক্কা লেগে পড়ে ছিটকে পড়ে যায়। এসময় গুরুতর অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। খবর পেয়ে সিভিল সার্জন রথিন্দ্র নাথ মজুমদার দ্রুত ছুটে আসেন। তাদের পরিক্ষা নিরীক্ষা করেন। কর্তব্যরত জরুরী বিভাগের ডাক্তার জানান, কামরুলের বুকে আঘাত পেয়েছে। তবে ভিতরে কি অবস্থা তা এখন বুঝা যাচ্ছে না। রাতে অবস্থার অবনতি হওয়ার আশংকায় ভোলায় আইসিইউ না থাকায় দ্রুত তাকে বরিশাল শেরই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এদিকে আহত সাংবাদিক কামরুলকে বরিশালশেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভার্তি করা হলে কত্যর্বরত চিকিৎসক জানান দুর্ঘটনার পর কোন সময় তার স্টোক হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য গতকাল রাতেই তাকে এম্বুলেন্স যোগে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। এছাড়া বর্তমানে সাংবাদিক লক্ষন ভোলা সদর হাসাতালে কেবিনে ভর্তি রয়েছে। তিনি ডাক্তারদের পর্যবেক্ষনে রয়েছে। আজ তাকে ঢাকায় প্রেরন করার কথা রয়েছে।
এদিকে সংবাদ পেয়ে ভোলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এম হাবিবুর রহমান ও সম্পাদক অমিতাভ রায় অপু হাসপাতালে ছুটে যান। অপর দিকে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই সাংবাদিক আহত হওয়ার খবর পেয়ে ভোলার পৌরমেয়র মো: মনিরুজ্জামান হাসপাতালে তাদেরকে দেখতে যান। এ সময় তিনি আহতদের খোজ খবর নেন এবং সার্বিক সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন।
অন্যদিকে রাতে ভোলা জেলা আওয়ামীলীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব আহত সাংবাদিকদের দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান এবং খোজ খবর নেন ডাক্তারদের সাথে কথা বলেন ও সার্বিক সহায়তার আশ্বাস প্রদান করান। এ ছাড়াও সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান মো: ইউনুছ, বাপ্তা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইয়ানুর রহমান বিপ্লব, ভোলা থানার ওসি ছগির মিয়া দেখতে গিয়ে তাদের খোজ খবর নেন।