বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক \ ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে মন্ট্রিলে দ্বিপাক্ষিক এক বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো
নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে নৃশংস সন্ত্রাসী হামলায় বাংলাদেশি প্রবাসীদের হতাহতের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে টেলিফোন করে শোক জানিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো।
গত শুক্রবারের ওই হামলায় অল্পের জন্য বাংলাদেশে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের বেঁচে যাওয়ায় স্বস্তিও প্রকাশ করেন তিনি।
একইসঙ্গে হামলার নিন্দা জানান ট্রুডো। আজ (সোমবার) সকালে শেখ হাসিনাকে ফোন করেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় দুই প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব সম্প্রদায়কে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
গত শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হয়েছেন ৫০ জন। আহত হয়েছেন প্রায় অর্ধশত মানুষ। ওই হামলায় এ পর্যন্ত চারজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছে বলে নিশ্চিত হতে পেরেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮ হতে পারে বলে শঙ্কা রয়েছে।
বাংলাদেশি নিহত চারজনের মধ্যে দুজনের ব্যাপারে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া গেছে। তারা হলেন- স্থানীয় লিঙ্কন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আবদুস সামাদ এবং গৃহিণী হোসনে আরা ফরিদ। অপর দু’জন নিহতের তথ্য স্থানীয় কমিউনিটির মাধ্যমে জেনেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তারা হলেন- নারায়ণগঞ্জের মোহাম্মদ উমর ফারুক ও চাঁদপুরের মোজাম্মেল হক।

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডেন এই হামলাকে নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসের অন্যতম কালো অধ্যায় বলে অভিহিত করেছেন।
হামলাকারী ব্রেনটন ট্যারেন্ট আল নূর মসজিদে চালানো হত্যাযজ্ঞ পুরোটা নিজেই লাইভ করেন। হত্যাযজ্ঞের আগে ৭৩ পৃষ্ঠার একটি একটি ইশতেহার প্রকাশও করেন তিনি। এই ইশতেহারে মুসলিম বিদ্বেষের বিষয়টি উঠে এসেছে। এ ছাড়া ইসলামপন্থি জঙ্গি ও অভিবাসীদের ওপর ক্ষোভের বিষয়ও রয়েছে ওই ইশতেহারে।