জুয়েল সাহা বিকাশ : ভোলা সদর ও চরফ্যাশন উপজেলায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মেঘনা নদী মা ইলিশ শিকার করার সময় মাছ ও কারেন্ট জালসহ ১০ জেলেকে আটক করেছে মৎস্য বিভাগ ও নৌ পুলিশ সদস্যরা। এছাড়াও বোরহানউদ্দিন, তজুমদ্দিন ও মনপুরা উপজেলার মেঘনা নদী থেকে ৫১ হাজার মিটার জাল জব্দ করা হলেও কোন জেলেকে আটক করা যায়নি।
আটককৃত জেলেদের পৃথক পৃথকভাবে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড প্রদান করা হয়। ভোলা সদরে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কামাল হোসেন ও চরফ্যানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রুহুল আমিন।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম আজহারুল ইসলাম জানান, ৯ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোর ইলিশের প্রজনন মৌসুম হওয়ায় ২২ দিনের জন্য ভোলার মেঘনা ও তেতুঁলিয়া নদীতে মাছ শিরের উপর নিষেধাজ্ঞা করে সরকার। মা ইলিশ নিষেধাজ্ঞার প্রথম দিন বুধবার গভীর রাত থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার করার দায়ে ভোলা সদরের তুলাতলি মেঘনা নদী থেকে ৫ জেলেকে ৫ হাজার মিটার জালসহ ও চরফ্যাশন উপজেলার সামরাজ এলাকার মেঘনা নদী থেকে ৫ জেলেকে ১ হাজার মিটার জাল এবং ৫ কেজি মা ইলিশসহ আটক করা হয়। পরে তাদের ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ভোলা সদরের ৫ জেলেকে ১ বছর করে ও চরফ্যাশন উপজেলার ৫ জেলেকে ১ মাস করে কারাদন্ড প্রদান করা হয়। সাজাপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন ভোলা সদরের মোঃ সিরাজ মাঝি (৪৫), মোঃ জাহাঙ্গীর মাঝি (৫০), দুলাল হাওলাদার (৩০), হান্নান মোল্লা (১৯) ও আ: রহিম ৩২)। এরা সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাসিন্দা। এছাড়াও চরফ্যাশনের মোঃ কামাল (৩০), মোঃ বেলাল (২০), মোঃ রশিদ (৪০), মোঃ জসিম (৩২) ও মোঃ ইলিয়াস (২৫)। এরা চরফ্যাশন উপজেলার ফাতেমাবাদ গ্রামের বাসিন্দা। এছাড়াও বোরহানউদ্দিন থেকে ১ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ৩ কেজি মা ইলিশ, তজুমদ্দিন থেকে ২০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও মনপুরা থেকে ৩০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়।
তিনি আরো জানান, মা ইলিশ রক্ষায় তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।