বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলা-ল²ীপুর রুটে বুধবার সকাল থেকে দুর্যোগ আবহাওয়া ঝড়ো বাতাসের ঢেউয়ের তোড়ে কনকচাঁপা ফেরি ডুবে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। অপল্পের জন্য রক্ষা পায় বাস ট্রাক ও কয়েক শত যাত্রী। অপরদিকে ভোলা থেকে ছেড়ে যাওয়া এলসিটি কুতুব দিয়া জাহাজ বালুবাহী কার্গোর সঙ্গে সংঘর্ষে বিধস্ত হয়।

ভোলা-লক্ষীপুর রুটের ফেরি সার্ভিসের ম্যানেজার এমরান হোসেন জানান, বুধবার সকালে লক্ষীপুর ফেরিঘাট থেকে ১৮টি পন্যবাহি যানবাহন,বাসসহ যাত্রী নিয়ে কনকচাঁপা ফেরি ভোলার ইলিশা ফেরিঘাটের উদ্দ্যোশে ছেড়ে আসে। মধ্য মেঘনায় আসার পর হঠাৎ করে প্রচন্ড ঝড়ের কবলে পড়ে। দুই পাশ থেকে পানির ঝাপটায় ও বিশাল উচু ঢেউ ফেরিতে আছড়ে পড়ে। এ সময় ফেরির ম্যান হলের ভিতর পানি প্রবেশ করে প্রায় ৪/৫ ফুট পানি জমে গেলে ফেরি ডুবে যাওয়ার উপক্রম হয়। এসময় ফেরির যাত্রীদেও মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। তাৎক্ষনিক ফেরিতে থাকা ২/৩টি পাম্প দিয়ে পানি সেচ করে ফেলে দেয়। এতে করে ওই ফেরিটি রক্ষা পায়। অবশেষে ওই ফেরিটি ইলিশা ফেরিঘাটে গিয়ে পৌছে। তবে ফেরির কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে দাবী করেন ফেরির ম্যানেজার। তবে ভোলায় খবর ছড়িয়ে পড়ে ভোলা ইলিশা রুটে ফেরির তলা ফেটে যায়।
ইলিশা লঞ্চঘাট ইজারাদার সরোয়াদ্দি মাস্টার জানান, হঠাৎ করেই মঙ্গলবার দুপুর থেকে বাতাসের বেড় বাড়তে থাকে। রাত থেকে শুরু হয় ঝড়ো বাতাস। বুধবার সকাল থেকে ঝড়োবাতাসে মেঘনা ও সাগর মোহনায় বিশাল আকারের ঢেউ আচড়ে পড়তে থাকে। পানির চাপে ডুবে গেছে ইলিশা ফেরিঘাট এলাকা। অপরদিকে ভোলা থেকে সকাল ৮টায় কয়েকশ যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যাওয়া কুতুবদিয়া জাহাজ মজুচৌধুরী ঘাটে পৌছার আগে বালুবাহি কার্গোর সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এ সময় যাত্রীদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। দুযোর্গ পূর্ন আবহাওয়ার কারনে ভোলা-ল²ীপুর রুটে সি-ট্রাক চলাচল বন্ধ ছিল।