বাংলার কন্ঠ ডেস্ক   :   রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরাতে ‘সেফজোন’ বা নিরাপদ অঞ্চল গঠনের প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে মিয়ানমার। নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় শনিবার রাতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে এক বিতর্কে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর কার্যালয়ের মন্ত্রী কোয়ে তিন্ত সোয়ে ওই প্রস্তাব নাকচ করে দেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য সেফজোন প্রতিষ্ঠার দাবি সমর্থনযোগ্য নয়; কার্যকরীও নয়।

তল্লাশি চৌকিতে হামলার অভিযোগ এনে ২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর দমনপীড়ন শুরু করে মিয়ানমার সোনাবাহিনী। এরপরই সেখান থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আসতে শুরু করে লাখ লাখ রোহিঙ্গা।

ওই বছরের নভেম্বরে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন হবে বলে জানান কোয়ে তিন্ত। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার ব্যাপারে তাদের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

কোয়ে তিন্ত জানান, রাখাইনে বসবাসরত এসব বাস্তুচ্যুতদের ‘পৃথক আইনি মর্যাদা’ আছে। যারা নাগরিকত্বের পাবে তাদের ‘নাগরিকত্ব কার্ড’ দেওয়া হবে। বাকিদের দেওয়া হবে ‘ন্যাশনাল ভেরিকেশন কার্ড’।

২০১৭ সালে জাতিসংঘের ৭২তম সাধারণ অধিবেশনে রোহিঙ্গা সংকট নিরসনের জন্য উত্থাপন করা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাঁচটি প্রস্তাবের মধ্যে রাখাইনে আলাদা ‘বেসামরিক পর্যবেক্ষক সেফজোন’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবও ছিল।